রাত জাগার ভয়ংকর পরিণতি

32

আপনি কি রাত জেগে স্যোসাল মিডিয়ায় থাকেন বা সিনেমা দেখেন? নাকি অফিসের কাজ করেন? ইচ্ছাকৃত আর অনিচ্ছাকৃতভাবে ইদানিং রাত জাগাটা এক ধরনের ট্রেন্ড হয়ে গিয়েছে। রাত জেগে কাজ করা আমরা অনেকেই পছন্দ করি। যার ভয়ংকর পরিণতি অল্প বয়সেই বুড়িয়ে যাওয়া সহ নানান জটিলরোগে আক্রান্ত হওয়া।

“নিজেদের যত্ন নেওয়ার সময় কই?” এমন মনোভাব নিয়ে যারা চলাফেরা করেন তাদের কিছু জিনিস জেনে রাখা দরকার। চলুন জেনে নেই রাতের বেলা না ঘুমালে কিংবা কম ঘুমালে আমরা কী ধরনের অসুবিধার সম্মুখীন হই।

১। ক্ষুধা বেড়ে যায় এবং আপনি বেশি খেতে শুরু করেন। যার পরিণতি হচ্ছে স্থুলতা।
২। অ্যাসিডটি যেটা পরবর্তীতে পাকস্থলীতে আলসারে রূপ নেয় ।
৩। স্ট্রোক করার ঝুঁকি চারগুণ বেড়ে যায়। এছাড়াও অন্যান্য হৃদরোগের ঝুঁকিও বেড়ে যায়।
৪। টাইপ-২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।
৫। মস্তিষ্কের টিস্যু নষ্ট হওয়া শুরু হয়।
৬। ধীরে ধীরে স্মৃতিশক্তি হ্রাস পেতে শুরু করে।
৭। কর্মের ধারাবাহিকতা বিপর্যস্ত হয় এবং কর্মচঞ্চলতা হ্রাস পায় ।
৮। কোন ব্যাপারে পূর্ণ মনোযোগ দেয়াটা প্রায় অসম্ভব ব্যাপার হয়ে যায়।
৯। সারাদিন একটা ক্লান্তি অনুভুতি হয়।
১০। গ্যামিট কম তৈরি হয়। ফলে রিপ্রোডাকশন সিস্টেমের ফার্টিলিটি কমে যায়।
১১। উচ্চ রক্তচাপ বেড়ে যায়।
১২। চোখের নিচে ডার্ক সার্কেল পড়ে।
১৩। ত্বকে ছোপ ছোপ দাগ পড়ে এবং ত্বকের রঙ নষ্ট হয়ে যায়।
১৪। চামড়া দ্রুত কুঁচকে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
১৫। মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়।
১৬। সারকোপেনিয়া হবার প্রবণতাও বেশি দেখা যায়। সারকোপেনিয়া হলো এমন এক জটিলতা যাতে রোগি ধীরে ধীরে পেশী হারাতে থাকেন।
১৭। নারীদের মাঝে মেদবহুল পেট এবং মেটাবলিক সিনড্রোম হতে দেখা যায় বেশি।
১৮। স্তন ক্যান্সার এবং প্রস্টেট ক্যান্সারের মতো ক্যান্সারের কোষ দেহে গঠন হয়ে থাকে অতিরিক্ত রাত জাগার কারণে!