চুমুর ছয় উপকারিতা

58

কতোভাবেই না ভালোবাসা প্রকাশ করে প্রিয় মানুষটির প্রতি। চোখে চোখ রেখে তাকানো, একটু ছোঁয়া, কিংবা দীর্ঘ একটি চুমু; ভালোবাসা প্রকাশের উপায়ের যেন শেষ নেই প্রেমিক-প্রেমিকার কাছে। ভালোবাসা মনের জন্য ভালো, ভালো শরীরের জন্যেও। হ্যাঁ, ভালোবাসা যে খুব ভালো সেটি প্রেমিক-প্রেমিকারা অনুভব করতে পারেন।

এ বিষয়ে সায় মিলেছে গবেষকদের কাছ থেকেও। তারা জানিয়েছেন, কাছের মানুষটির ঠোঁটে ভালোবাসার একটি চুমু শরীরে ও মনে অনেক ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

সম্প্রতি জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট ‘বোল্ডস্কাই’-এর এক প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে চুমুর নানা উপকারিতা। তো এক নজরে দেখে নেওয়া যাক ভালোবাসা প্রকাশের একান্ত এই মাধ্যমের সুবিধাগুলো কী কী—

ওজন কমাতে চুমু খান : প্রিয়জনকে চুমু খাওয়ার সবচেয়ে ইতিবাচক দিক হলো এটি শরীরে ক্যালরির পরিমাণ কমায়। গবেষণায় দেখা যায়, চুমু খাওয়ার মাত্র ১ মিনিটের ছয় ক্যালরি করে ক্ষয় হয়। তাই সহজেই বোঝা যাচ্ছে, ওজন কমাতে শারীরিক কসরতের মতো কঠিন কাজগুলোর চেয়েও সহজ উপায় হচ্ছে চুমু খাওয়া।

যৌন আকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধি করে : ২০০৭ সালে এভোলুশনারি সাইকোলজি জার্নালে বলা হয়, দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ার ক্ষেত্রে নারী-পুরুষ ফ্রেঞ্চ কিস দারুণ পছন্দ করেন। কিন্তু পুরুষরা স্বল্পমেয়াদি সম্পর্ক গড়তে ফ্রেঞ্চ কিসের সময় জিহ্বার সংযোগ বেশি ঘটাতে চান। অন্য এক গবেষণায় বলা হয়, দুজনের মুখের স্যালিভা উভয়ের দেহে টেসটোস্টেরন হরমোনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এতে যৌন আকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধি পায়।

সুখের হরমোন বৃদ্ধি করে : মানুষ যখন চুমু দেয়, তখন মস্তিষ্ক এন্ডোরফিনস হরমোন নির্গত করে যাতে সুখানুভূতির সৃষ্টি হয় এবং একের প্রতি অপরের ভালোবাসা বাড়ে। আবার এতে কর্টিসোল হরমোনের মাত্রা কমে আসে। এটি বিষণ্নতার জন্যে দায়ী।

সম্পর্ক বাঁচিয়ে দিতে পারে : ২০১১ সালে কিনসে ইনস্টিটিউট স্টাডিতে বলা হয়, যারা বেশি বেশি চুমু খান, তাদের মাঝে যৌনতৃপ্তি তত বেশি থাকে। এদের সুখের মাত্রা অন্যদের চেয়ে তিনগুণ বেশি থাকে।

অনুভূতি থেকেই যায় : চুমুর অনুভূতি বহুদিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এর প্রভাব আপনার মনে সুখ সৃষ্টি করে। তাই চুমু খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মনের দুঃখ-কষ্ট দূর হতে বেশি সময় লাগে না। এই সুখানুভূতির স্থায়িত্ব যত বেশি হবে, আপনি তত বেশি দুঃখ থেকে দূরে থাকবেন।