অনলাইনে খাবার অর্ডার করেন? নিজের বিপদ নিজেই ডেকে আনছেন না তো?

64

প্রযুক্তির জমানায় এখন মানুষের হাতে এসে গেছে অ্যাপ এর সুবিধা,
ট্রেন বুক করার জন্য অ্যাপ, ট্যাক্সি বুক করার জন্য অ্যাপ এমনকি সস্তায় খাবার পাবার জন্যও আমরা নানা অ্যাপ ব্যবহার করি আমরা।

সস্তায় ভরপেট খেতে সবাই চায়, গ্রাহকদের সেই কথা মাথায় রেখেই ফুড ডেলিভারি অ্যাপগুলো অত্যন্ত কম দামে খাবারের প্রস্তাব আনছে।কিন্তু ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) এক সমীক্ষায় জানিয়েছে, যে খাবারগুলি জোম্যাটো বা সুইগির মত অ্যাপগুলি কম দামে দিচ্ছে তার গুণগত মান মোটেও ভাল নয় বরং তা আমাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর।
এফডিএ সূত্রে জানা গিয়েছে, মুম্বইয়ের ১০০টি খাবারের দোকান যার সঙ্গে ফুড অ্যাপগুলির যোগ রয়েছে, তাদের খাদ্য সুরক্ষা আইনের অন্তর্গত কোনও বৈধ লাইসেন্স নেই।

এফডিএ ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত দশদিন ব্যাপী মুম্বইয়ের বিভিন্ন খাবারের দোকানে সমীক্ষা চালায়। দেখা যায়, ১১৩টি রেস্তোরাঁ অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকরভাবে খাবার তৈরি করে এবং সেই খাবারই ফুড অ্যাপের মাধ্যমে গ্রাহকের কাছে পৌঁছায়। সেই খাবারের গুণগত মানও ভাল নয়। এফডিএর পক্ষ থেকে ওই ১১৩টি রেস্তোরাঁকে নোটিস ধরানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবসা বন্ধ করতে বলা হয়েছে। এফডিএ এই রেস্তোরাঁগুলির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করবে বলেও জানা গিয়েছে।

এফডিএর পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে, যেখানে খাবার তৈরি হচ্ছে সেই জায়গাটা পরিষ্কার হওয়া দরকার এবং খাবারের গুণগত মান বজায় রেখে রান্না হওয়া দরকার। খাবার খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়লে তার দায় কে নেবে? ‌এফডিএ জানিয়েছে, ১১৩টি রেস্তোরাঁর মালিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে।
তাই অনলাইনে খাবার কেনার আগে দেখে নিন, সুস্থ্য ও স্বাভাবিক ভাবে বাঁচুন।

সূত্র : বাংলার বার্তা