সারাদেশে নৌযান চলাচল শুরু

103

ঘূর্ণিঝড় ফণী উপকূলবর্তী এলাকা অতিক্রম করে যাওয়ায় সারাদেশে আবার নৌযান চলাচল শুরু হয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে বৃহস্পতিবার রাত থেকে বন্ধ থাকার পর রবিবার (৫ মে) সকাল থেকে নৌ চলাচল শুরু হয়।

অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) যুগ্ম পরিচালক আলমগীর কবীর এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ঝুঁকি কমে আসায় সকাল ৮টা থেকে সব ধরনের নৌযান চলাচল শুরুর অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

অনেক আতঙ্ক ছড়িয়ে আসা ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ বাংলাদেশ ছেড়ে গেছে। বাংলাদেশের জামালপুর-নেত্রকোণা অতিক্রম করে ভারতের মেঘালয়ে প্রবেশ করেছে। হ্যারিকেনের গতি সম্পন্ন ভয়াল রূপে এসে এটি এখন শক্তি হারিয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে।

বাংলাদেশ সময় শনিবার (৪ মে) রাত ৮টার পর জামালপুর-নেত্রকোণা অতিক্রম করেছে বলে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ ভারতের একটি অংশ হয়ে ধেয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করায় গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর, চট্টগ্রাম বন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত এবং কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলে আবহাওয়া অধিদফতর। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সব রুটে নৌযান চলাচল বন্ধ করে দেয় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।

তবে শনিবার (৪ মে) ‘ফণী’ দুর্বল হয়ে গভীর স্থল নিম্নচাপ রূপে বাংলাদেশ অতিক্রম করে। এইদিন দুপুর থেকে বিপদ সংকেত কমিয়ে দেশের চারটি সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া বিভাগ। ঘূর্ণিঝড়ের পর পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিকের দিকে যাওয়ায় রবিবার থেকে দেশের অভ্যন্তরীণ রুটে নৌযান চলাচল পুনরায় শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।

অনেক আতঙ্ক ছড়িয়ে আসা ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ বাংলাদেশ ছেড়ে গেছে। বাংলাদেশের জামালপুর-নেত্রকোণা অতিক্রম করে ভারতের মেঘালয়ে প্রবেশ করেছে। হ্যারিকেনের গতি সম্পন্ন ভয়াল রূপে এসে এটি এখন শক্তি হারিয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে।

বাংলাদেশ সময় শনিবার (৪ মে) রাত ৮টার পর জামালপুর-নেত্রকোণা অতিক্রম করেছে বলে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। বঙ্গোপসাগরের সৃষ্টি এই ভয়াল প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ শুক্রবার (৩ মে) ভারতের ওড়িশা রাজ্যে প্রবেশ করে।

সেখানে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত তাণ্ডব চালায় ‘ফণী’। পরে এটি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য হয়ে বাংলাদেশ প্রবেশ করে শনিবার (৪ মে) সকাল ৬টার দিকে। ভারতের ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গে ‘ফণী’ ছোবলে অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছে। কয়েক হাজার বাড়ি-ঘর ও ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সাতক্ষীরা হয়ে যখন প্রবেশ করে ঘূর্ণিঝড়টি তখন এটির ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটারের ওপরে। পরে এটি মেহেরপুর, ফরিদপুর, রাজবাড়ী ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে হয়ে পাবনায় প্রবেশ করে। দুপুরের দিকে এটি আরও দুর্বল হয়ে টাঙ্গাইল হয়ে ময়মনসিংহে প্রবেশ করে। তখন এটি সম্পূর্ণ শক্তি হারিয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়।