ছিনতাই করা অটোরিকশা বিক্রি করতে এসে ধরা

44

লক্ষ্মীপুরে ছিনতাই করা সিএনজিচালিত অটোরিকশা বিক্রি করতে এসে জনগণের হাতে ধরা পড়েছে ছিনতাইকারী চক্রের তিন সদস্য। এ সময় তাদেরকে গণধোলাই দিয়েছে বিক্ষুব্ধরা। খবর পেয়ে রোববার (২৬ মে) রাতে সদর উপজেলার মান্দারী পূর্ব বাজার থেকে ওই তিনজনকে আটক করে পুলিশ।

আটকরা হলেন, সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে শামছুল আলম, একই এলাকার নুরুল হুদার ছেলে ফয়সাল ও চরচামিতা গ্রামের মৃত ইউসুফের ছেলে জাকির হোসেন। তারা সিএনজি ছিনতাই ও মাদক কারবারি চক্রের সক্রিয় সদস্য বলে অভিযোগ রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উপজেলার মটবী গ্রামে একটি অটোরিকশা ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করতে এসে ধরা পড়ে ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য শামছুল আলম। পরে কৌশলে তাকে দিয়ে চক্রের অন্য সদস্যদের ডেকে আনা হয়। অটোরিকশা বিক্রির টাকার ভাগ নেয়ার জন্য এসে চক্রের সদস্য ফয়সাল ও জাকির স্থানীয়দের কাছে ধরা পড়ে। এ সময় মিঠু নামে একজনের মাথা ফাটিয়ে পালিয়ে যায় হাজিরপাড়া ইউনিয়নের ইউসুফপুর গ্রামের সম্রাট নামে আরও এক সদস্য। এরপর উত্তেজিত জনগণ ওই তিনজনকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।

এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে ছিনতাই হওয়া অটোরিকশাটি শনাক্ত করেন মালিক নুরুল হক। তিনি নোয়াখালীর অনন্তপুর গ্রামের বাসিন্দা।

জানতে চাইলে নুরুল হক বলেন, গত বৃহস্পতিবার (২৩ মে) রাত ১১টার দিকে তার সিএনজিটি ছিনতাই হয়। ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যরা যাত্রী সেজে নোয়াখালীর একলাশপুর থেকে সিএনজি রিজার্ভ ভাড়া নিয়ে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চরচামিতা এলাকায় আসে। পরে সিএনজিচালক সোলাইমানকে মারধর করে সিএনজিটি ছিনতাই করে পালিয়ে যায় তারা। এ ঘটনায় পরদিন চন্দ্রগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেছেন তিনি।

চন্দ্রগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাকির হোসেন বলেন, তিন ছিনতাইকারীকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করে সদর হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তাদেরকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। ছিনতাইয়ের ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সূত্র : জাগো নিউজ